Back

ⓘ সমাজ




                                               

সমাজ

সমাজ বলতে মূলত এমন এক ব্যবস্থা বোঝায়, যেখানে একাধিক চরিত্র একত্রে কিছু নিয়ম-কানুন প্রতিষ্ঠা করে একত্রে বসবাসের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলে। মানুষের ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি একত্র হয়ে লিখিত কিংবা অলিখিত নিয়ম-কানুন তৈরি করে; এরকম একত্র বসবাসের অবস্থাকে সমাজ বলে। মানুষ ছাড়াও ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে সমাজের অস্তিত্ব দেখা যায়, তবে সেখানে মানুষের মতো কাঠামোবদ্ধ সমাজের দৃষ্টান্ত নজরে আসে না। সমাজের দুটো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো: টোটেম ট্যাবু বা নিষিদ্ধ আচার, ও সমাজের মধ্যে যেমন সদস্যদের মধ্যে থাকে পরস্পর সৌহার্দ্য, সহযোগিতা, মমত্ব ; তেমনি তৈরি হতে পারে ঘৃণা, লোভ, জিঘাংসা। তাই সমাজের মধ্যে শৃংখলা ধরে ...

                                               

সমাজ (সংবাদপত্র)

সমাজ ভারতের উড়িষ্যার কটক শহর থেকে প্রকাশিত একটি ওডিয়া দৈনিক পত্রিকা। এটি ১৯১৯ সালে শুরু হয়েছিল, এটি ভারতের প্রাচীনতম সংবাদপত্রের মধ্যে একটি। গোপবন্ধু দাস ছিলেন একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং সমাজকর্মী, তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামকে সহজতর এবং মৃতপ্রায় ওড়িয়া ভাষাকে পুনরুজ্জীবিত করতে উড়িষ্যার পুরি জেলার সত্যবাদি থেকে একটি সাপ্তাহিক হিসাবে এই সংবাদপত্রটি চালু করেন। তাঁর নেতৃত্বে এবং স্থানীয় লোকের সহায়তায় কাগজটি সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করে। ১৯২৮ সালে দাসের মৃত্যুর ঠিক আগে কাগজটি লোক সেবক মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। লোক সেবক মণ্ডল এখনও কাগজটি চালান।

                                               

বহুজন সমাজ পার্টি

১৯৯১ এর সাধারণ নির্বাচনে ৩টি আসন পায়। কিন্তু কংগ্রেসের নরসিংহ রাওয়ের নেতৃত্বের সরকারে সামিল হয়নি। ১৯৯৩ এর উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে মাত্র ৬৭টি আসন পায়। বিজেপির সমর্থনে প্রথমবারের মতো মায়াবতী মুখ্যমন্ত্রী হন । পরবর্তীতে সমর্থনের অভাবে ১৩৭ দিনে সরকারের পতন ঘটে। ২০০২ এর উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে মাত্র ৯৮টি আসন পায়। এক্ষেত্রেও বিজেপির সমর্থনে তৃতীয়বারের মতো মায়াবতী মুখ্যমন্ত্রী হন । এবারে ১ বছর ১১৮ দিনে সরকারের পতন ঘটে। ১৯৯৮ এর সাধারণ নির্বাচনে ৫টি আসন পায়। কিন্তু বিজেপির বাজপেয়ির নেতৃত্বের সরকারে সামিল হয়নি। ১৯৯৬ এর উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে আবারও মাত্র ৬৭টি আসন পায়। এক্ষেত্রেও বিজেপির সমর ...

                                               

আর্য সমাজ

আর্য সমাজ বৈদিক ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য স্বামী দয়ানন্দ কর্তৃক ১৮৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি হিন্দু সংগঠন ও সংস্কার আন্দোলন। তিনি একজন বেদ প্রচারক সন্ন্যাসী ছিলেন। তিনি ব্রহ্মচর্য পালন করতেন। এই আদর্শের উপর জোর দিয়েছিলেন। আর্য সমাজের সদস্যগণ এই নীতিই মেনে চলেন। তারা একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী অর্থাৎ তারা এক ঈশ্বরে বিশ্বাসী এবং মূর্তিপূজার বিরোধী। তাদের বিশ্বাস বেদোক্ত ব্রহ্মের উপর ।

                                               

ব্রাহ্মসমাজ

ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মসভা ১৯ শতকে স্থাপিত এক সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন যা বাংলার পূনর্জাগরণের পুরোধা হিসেবে পরিচিত। কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে হিন্দুধর্ম সংস্কারক রাজা রামমোহন রায় ও তার বন্ধুবর্গ মিলে এক সার্বজনীন উপাসনার মাধ্যমে ব্রাহ্মসমাজ শুরু করেন। তাদের উপাস্য ছিল "নিরাকার ব্রহ্ম", তাই থেকেই নিজেদের ধর্মের নাম রাখেন ব্রাহ্ম।

                                               

প্রার্থনা সমাজ

ভারতের বোম্বাইতে প্রার্থনা সমাজ নামে পূর্ববর্তী সংস্কার আন্দোলনগুলিকে ভিত্তি করে একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সাধারণ মানুষকে একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী করানোর উদ্দেশ্য নিয়ে ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে যখন কেশবচন্দ্র সেন মহারাষ্ট্রে যান, তখন দাদোবা পান্ডুরং এবং তার ভাই আত্মারাম পান্ডুরং প্রার্থনা সমাজ স্থাপিত করেন। মহাদেব গোবিন্দ রানাডে এর সঙ্গে যুক্ত হলে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রধান সংস্কারকরা ছিলেন বুদ্ধিজীবী যারা হিন্দুদের সমাজব্যবস্থার সংস্কারের পক্ষে ছিলেন। প্রখ্যাত তেলুগু সংস্কারক ও লেখক বীরেশলিঙ্গম পান্তুলু এটি দক্ষিণ ভারতে ছড়িয়ে দেন । ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের আন্দোলন হ ...

                                               

সুশীল সমাজ

সুশীল সমাজকে সমাজের "তৃতীয় বিভাগ" হিসেবে বোঝা হয়, যা সরকার এবং বাণিজ্য থেকে আলাদা। অন্যান্য লেখকদের মতে, "সুশীল সমাজ শব্দটিকে বেসরকারী সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি হিসেবে বোঝানো হয় যা নাগরিকদের স্বার্থের ব্যাপারে আগ্রহী হয়, অথবা সমাজের কোন ব্যক্তি বা সংগঠন যা সরকার-নিরপেক্ষ হয়ে থাকে। কখনও সুশীল সমাজ শব্দটি "বাকস্বাধীনতা, স্বাধীন বিচারবিভাগ ইত্যাদির মত উপাদান অর্থে ব্যবহৃত হয় যেগুলো একটি গণতান্ত্রিক সমাজ তৈরি করে কলিন্স ইংলিশ ডিকশনারি। বিশেষ করে প্রাচ্যের ও মধ্য ইউরোপের চিন্তাবিদদের আলোচনায় সুশীল সমাজকে নাগরিক মূল্যবোধের আদর্শ ধারণা হিসেবেও দেখা হয়।

                                               

ইসলামী সমাজ বিপ্লবের ধারা

ইসলামী সমাজ বিপ্লবের ধারা বইখানি মিশরের ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়েদ কুতুব এর লেখা বই মাআলিম ফিত তারিক্ব এর বাংলা অনুবাদ। এ গ্রন্থ রচনার অপরাধে ও মিশরের শাসক কে হত্যা ষড়যন্ত্রের দায়ে ১৯৬৬ সালের ২৫ শে আগস্ট আদালত তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়।

                                               

বাংলাদেশী সমাজ

বাংলাদেশ, স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত এর পৃথক কোন একক ভৌগলিক ও জাতিগত ঐক্য হিসাবে পরিচয় ছিলনা। এই অঞ্চলকে ধারাবাহিক ভারত সাম্রাজ্য এর একটি অংশ হিসাবে ধরা হয়েছে, এবং ব্রিটিশ সময় থেকে একে সমগ্র বঙ্গ এর পূর্ব অংশ হিসাবে গঠন করা হয়, যা প্রভাবিত হতো ব্রিটিশ শাসক ও হিন্দু সমাজপতি, বণিক, এবং জমিদার দ্বারা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরে, বর্তমান বাংলাদেশের নেতৃত্ব অমুসলিম কর্তৃত্ব থেকে পাকিস্তানের পশ্চিমা অ-বাঙ্গালী মুসলিম অভিজাত শ্রেণীর দখলে আসে। অতঃপর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরই একটি নতুন জাতি এবং নতুন সামাজিক কাঠামো হিসাবে জন্ম হয়।

                                               

ধর্ষণের সমাজ-জীববিজ্ঞানগত তত্ত্বসমূহ

ধর্ষণের সমাজ-জীববিজ্ঞানগত তত্ত্বসমূহ অনুসন্ধান করে যে কিভাবে বিবর্তনগত অভিযোজন ধর্ষকের মনস্তত্ত্বে প্রভাব ফেলে। এরকম তত্ত্বগুলো উচ্চমাত্রায় বিতর্কিত, কারণ গতানুগতিক তত্ত্বসমূহ ধর্ষণকে আচরণগত অভিযোজন হিসেবে বিবেচনা করে নি। এরকম তত্ত্বের কিছু বিরোধিতা আসে নৈতিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র থেকে। অন্যেরা আবার বলেন, যথার্থ প্রতিরোধমূলক উপায় তৈরি করার জন্য ধর্ষণের কারণের সঠিক জ্ঞান প্রয়োজন।

                                               

বিয়ের সমালোচনা

বিবাহের প্রাতিষ্ঠানিক বা নৈতিক মূল্যবোধের বিচ্যুতি বা নির্দিষ্ট বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মতবাদ রয়েছে তাদের একত্রে বিবাহের সমালোচনামূলক মতবাদ বলে গণ্য করা যায়। বিবাহের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ফলে ব্যক্তিস্বাধীনতা, বিভিন্ন যৌন অভিমুখীতার মধ্যে সমতা ইত্যাদি বিষয়ে কতটুকু প্রভাব পড়তে পারে; বিবাহ এবং সহিংসতার মধ্যে সম্পর্ক; বিবাহ অন্যান্য দার্শনিক প্রশ্নের উপর কতখানি প্রভাব ফেলতে পারে; জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি কাজের জন্য বিবাহের উপর সরকারী নিয়ন্ত্রণ কতটা হতে পারে, একজন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের পরিমাণ অন্যের উপর কতটা হতে পারে ইত্যাদি এই সমস্ত মতবাদের আলোচ্য বিষয়। এছাড়া বিবাহবিচ্ ...

বহুজন সমাজ পার্টি নেপাল
                                               

বহুজন সমাজ পার্টি নেপাল

বহুজন সমাজ পার্টি, নেপাল একটি নেপালি রাজনৈতিক দল। এটি ভারতীয় বহুজন সমাজ পার্টির অনুপ্রেরণায় গঠিত হয়। এটি পরিচালনা করেছেন মদন বাহাদুর প্রধান। ১৯৯৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে এতে ৩ জন প্রার্থী ছিলেন। দলটি দেশব্যাপী ০.০১% ভোট পেয়েছে।

সমাজ সহিলদেও ইউনিয়ন
                                               

সমাজ সহিলদেও ইউনিয়ন

শিক্ষার হার: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান == দর্শনীয় স্থান == সহিলদেও মেদি পাথর কাটা খান বাহাদুর কবির উদ্দিন খান এর বাড়ি, চৌধুরী বাড়ি, পুর্ব পাড়া চৌধুরী বাড়ি। == উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব == আল আহাদ চৌধুরী অর্নব।

                                               

পল্লী-সমাজ

পল্লী-সমাজ উপন্যাসটির প্রথম নয়টি পরিচ্ছেদ ১৩২২ বঙ্গাব্দের আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই নয়টি পরিচ্ছেদে উপন্যাসটি শেষ করার কথা ভাবলেও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরে আরো দশটি পরিচ্ছেদ রচনা করেন, যা এক সঙ্গে ১৩২৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দের ভারতবর্ষ পত্রিকার মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স এই উনিশটি পরিচ্ছেদ পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।