Back

ⓘ ভূগোল




                                               

ভূগোল

ভূগোল হচ্ছে বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে পৃথিবীর ভূমি, এর গঠন বিন্যাস, এর অধিবাসী সম্পর্কিত সমস্ত প্রপঞ্চ সংক্রান্ত বিষয়াদি আলোচিত হয়। এই শব্দটি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকে গ্রিক জ্ঞানবেত্তা এরাটোসথেনিস প্রথম ব্যবহার করেন। ভূগোলে মানুষের বসবাসের জগৎ ও তার সাথে সম্পর্কিত সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপঃ ভৌত ভূগোলে জলবায়ু, ভূমি ও জল নিয়ে গবেষণা করা হয়; সাংস্কৃতিক ভূগোলে কৃত্রিম, মনুষ্যনির্মিত ধারণা যেমন দেশ, বসতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন, দালান, ও ভৌগোলিক পরিবেশের অন্যান্য পরিবর্তিত রূপ আলোচনা করা হয়। ভূগোলবিদেরা তাদের গবেষণায় অর্থনীতি, ইতিহাস, জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব এবং গ ...

                                               

মানবীয় ভূগোল

মানবীয় ভূগোল হচ্ছে সমাজ বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা পৃথিবী, তার অভিবাসীদের বসবাসের স্থান এবং সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করে।. একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক বিষয় হিসাবে ভূগোল প্রাকৃতিক ভূগোল এবং মানবীয় ভূগোল নামক দুটি শাখায় বিভক্ত।

                                               

আচরণিক ভূগোল

আচরণিক ভূগোল হলো মানব ভূগোলের এমন একটি পদ্ধতির যা একটি পৃথক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করে মানুষের আচরণ পরীক্ষা করে। আচরণিক ভূগোলবিদগণ স্থানিক যুক্তি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আচরণের অন্তর্নিহিত জ্ঞানীয় প্রক্রিয়াগুলিতে মনোনিবেশ করেন। এছাড়াও, আচরণিক ভূগোহল মানব ভূগোলের এমন একটি ধারণা / দৃষ্টিভঙ্গি যা তাদের পরিবেশ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ব্যক্তির উপলব্ধি বা প্রতিক্রিয়ার সাথে জড়িত জ্ঞানীয় প্রক্রিয়াগুলি নির্ধারণ করার জন্য আচরণবাদের পদ্ধতি এবং অনুমানগুলিকে ব্যবহার করে। আচরণিক ভূগোল হলো মানব বিজ্ঞানের সেই শাখা যা জ্ঞানীয় প্রক্রিয়াগুলির অধ্যয়নের সাথে আচরণবাদের মাধ্যমে তার পর ...

                                               

ধর্ম এবং ভূগোল

ধর্ম এবং ভূগোল হলো ধর্ম বিশ্বাসের উপর ভূগোল, অর্থাৎ স্থান এবং অবস্থানের প্রভাব সম্পর্কিত আলোচনা। ধর্ম এবং ভূগোলের মধ্যকার সম্পর্কের আরেকটি বিষয় হলো ধর্মীয় ভূগোল, যেখানে ভৌগলিক ধারণা ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হয়, যেমন প্রাথমিক মানচিত্র প্রস্তুতকরণ এবং বাইবেলীয় ভূগোল যেটি বাইবেলে বর্ণিত স্থানগুলি সনাক্ত করার জন্য ১৬শ শতাব্দীতে বিকশিত হয়।

                                               

অর্থনৈতিক ভূগোল

অর্থনৈতিক ভূগোলের বিষয়গত ব্যাপার গবেষক এর পদ্ধতিগত চিন্তাধারা দ্বারা দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত হয়। আলফ্রেড ওয়েবারের ঐতিহ্য অনুসরণ করে নিকোলাসিকাল অবস্থান তত্ত্ববিদরা, শিল্প অবস্থানের উপর নজর রাখেন এবং পরিমাণগত পদ্ধতি ব্যবহার করেন। ১৯৭০ দশকেপর থেকে নব্যধর্মীয় পদ্ধতির বিরুদ্ধে দুটি বৃহত্তর প্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে পদ্ধতিগত শৃঙ্খলা পরিবর্তিত হয়েছে: মার্কসবাদী রাজনৈতিক অর্থনীতি, ডেভিড হার্ভের কাজ থেকে বেরিয়ে আসছে; এবং নতুন অর্থনৈতিক ভূগোল যা স্বদেশীয় অর্থনীতিতে সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক কারণগুলি বিবেচনা করে।

                                               

নেদারল্যান্ডসের ভূগোল

নেদারল্যান্ডসের ভূগোল খানিকটা অস্বাভাবিক, কেননা এর ভূমির বেশির ভাগ অংশ সমুদ্র থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং এগুলি আসলে সমুদ্র সমতলের নিচে অবস্থান করছে। সমুদ্র উপকূলে মনুষ্য-নির্মিত বাঁধ এই নিম্নভূমিগুলিকে প্লাবনের হাত থেকে রক্ষা করছে। নেদারল্যান্ডসের ভূ-প্রকৃতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। উত্তর ও পশ্চিমের নিম্ন ও সমতল ভূমিগুলি সমুদ্র থেকে পুনরুদ্ধারকৃত পোল্ডার এবং নদীসমূহের ব-দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এগুলি নেদারল্যান্ডের মোট আয়তনের প্রায় অর্ধেক এবং সমুদ্র সমতল থেকে গড়ে ১ মিটারের বেশি উঁচু নয়। সমুদ্রে প্রাচীর ও বালিয়াড়ি তুলে এগুলিকে রক্ষা করা হয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণে আছে উচ্চভূমি, কিন্তু এগুলিও ...

অন্তরীপ
                                               

অন্তরীপ

অন্তরীপ হচ্ছে এক ধরনের ভূমিরূপ। ভূগোলের পরিভাষায়ঃ ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে কোন জল-অংশে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়। অন্তরীপের ভৌগোলিক আয়ুষ্কাল সাধারণত কম হয়।

অশ্মমণ্ডল
                                               

অশ্মমণ্ডল

অশ্মমন্ডল বলতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট গ্রহ-উপগ্রহসমূহের এমন একটি স্তরকে বোঝানো হয় যেটি মূলত বহিরাবরণ হিসাবে কাজ করে থাকে। পৃথিবীর অশ্মমন্ডল ভূত্বক থেকে শুরু হয়ে ম্যান্টেলের উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত।

আন্তর্জাতিক দূরালাপনি সংযোগ নম্বর
                                               

আন্তর্জাতিক দূরালাপনি সংযোগ নম্বর

আইটিইউ-টি এর ই ১৬৪ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক দূরালাপনি সংযোগ কোড এর তালিকা। আন্তর্জাতিক টেলিফোন কলের জন্য ফোন নম্বর ক্যালকুলেটর বিশ্ব টেলিফোন নাম্বার ব্যবস্থার গাইড

উপনদী
                                               

উপনদী

বাংলাদেশে প্রচুর উপনদী রয়েছে; যেমন: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই,সুবর্ণশ্রী ইত্যাদি নদীগুলো উৎসস্থল থেকে প্রবাহিত হয়ে যমুনা নদীতে গিয়ে মিশেছে; তাই এরা যমুনা নদীর উপনদী।

গহন সমভূমি
                                               

গহন সমভূমি

গহন সমভূমি হলো সমুদ্র তলদেশের গভীরে অবস্থিত সমভূমি, যা সাধারণত ৩০০০ মি. থেকে ৬০০০ মি. গভীরতায় দেখা যায়। এটি সাধারণত মহীসোপানের পাদদেশ থেকে শুরু করে মহাসাগরীয় খাঁদের কিনারা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে, পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রায় ৫০% গহন সমভূমি দ্বারা আবৃত। এ সমভূমি পৃথিবীর সবচেয়ে সমতল, মসৃন অঞ্চলের অন্তর্গত এবং এখানে খুব কম মানুষই গিয়েছে। মহাসাগরীয় বেসিনের মূল ভূতাত্ত্বিক উপাদানগুলোর অন্যতম হলো গভীর সমুদ্রের সমভূমিসমূহ also typically include an oceanic trench and a subduction zone.

তুষার
                                               

তুষার

তুষার হল বৃষ্টির কঠিন রূপ যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে স্ফটিকের আকারে বিরাজ করে। এটি প্রকৃতপক্ষে পানির কঠিন রূপ বা বরফ। শীতকালে যেখানে তাপমাত্রা শূণ্য ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেখানে মেঘ থেকে তুষার পতিত হয়, এক বলে তুষারপাত। মেঘ হতে নিঃসরিত পানি বায়ুমন্ডলের উপরের স্তরে নিম্ন তাপমাত্রায় জমে বরফে পরিণত হয় এবং তা ভূমিতে পতিত হয়।

প্রতিপাদ স্থান
                                               

প্রতিপাদ স্থান

কোন স্থানের ঠিক বিপরীত স্থানকে ঐ স্থানের প্রতিপাদস্থান বলে। অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট স্থান হতে পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে যদি কোন সরলরেখা টানা হয় তা পৃথিবীর অপর যে প্রান্তে ভেদ করবে তাকে ১ম স্থানের প্রতিপাদস্থান বলা হবে। যেমন,বাংলাদেশের প্রতিপাদস্থান হচ্ছে চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে সরলরেখা বরাবর যদি কোন গর্ত খুড়ে যাওয়া যায় তবে চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে বের হবো।

                                               

ভূকক্ষের ক্রান্তিকোণ

খ-গোলক এবং ভূকক্ষের মধ্যবর্তী কোণকে ভূকক্ষের ক্রান্তিকোণ বলা হয়। এর মান ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড। বছরে এই মান ০.৫ সেকেন্ড কমে যাচ্ছে। এখন থেকে ১৫০০ বছর পর তা আবার বাড়তে থাকবে। ২১ডি ৫৫মি থেকে ২৮ ১৮ পরিসরের মধ্যে এটি উঠানামা করে।

ভূমি
                                               

ভূমি

ভূমি, কখনো কখনো শুষ্ক ভূমি বলে চিহ্নিত করা হয়, হচ্ছে পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ যা স্থায়ীভাবে পানিতে নিমজ্জিত হয় না। মানবজাতির প্রায় সকল প্রকার কর্মকান্ডই ভূমিতে সংগঠিত হয় যা কৃষি, বসতি এবং বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক সম্পদের দ্বারা সহায়তা করে।

মরুদ্যান
                                               

মরুদ্যান

ভূগোলে, মরুভূমিতে ঝর্ণা বা অন্যকোন জল উৎসকে ঘিরে গড়ে ওঠা বৃক্ষশোভিত বিচ্ছিন্ন অঞ্চলকে মরুদ্যান বলা হয়। মরুদ্যানটি বড় হলে সেখানে মানুষ ও অন্যান্য প্রানীর বসতি গড়ে ওঠে। মরুদ্যানের অবস্থান মরু অঞ্চলের ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

লেভান্ত
                                               

লেভান্ত

লেভ্যান্ট যা পূর্ব ভূমধ্যাঞ্চল নামেও পরিচিত, আনাতোলিয়া এবং মিশর এর মাঝে অবস্থিত ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল। বর্তমানের সাইপ্রাস, জর্দান, লেবানন, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইসরাইল এবং দক্ষিণ তুরস্ক এর অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত ছিলো। পশ্চিম এশিয়া, পূর্ব ভূমধ্যাঞ্চল ও উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা এবং আরব অঞ্চল এর উত্তর-পশ্চিমাংশের সাথে সংযোগ অঞ্চল হিসেবে সুপরিচিত ছিলো।

শাখানদী
                                               

শাখানদী

যে সকল নদী ঝরণাধারা, হ্রদ, বরফগলিত স্রোত ইত্যাদি থেকে উৎপন্ন না হয়ে অন্য কোন নদী থেকে উৎপন্ন হয় তাকে শাখানদী বলে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধলেশ্বরী যমুনার প্রধান শাখানদী। এছাড়াও মধুমতী, মাথাভাঙ্গা, কপোতাক্ষ নদ, পশুর নদ, বেতনা নদী ইত্যাদি পদ্মার শাখানদী।