Back

ⓘ ভুটানের অর্থনীতি




ভুটানের অর্থনীতি
                                     

ⓘ ভুটানের অর্থনীতি

ভুটানের অর্থনীতি বিশ্বের ক্ষুদ্র অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি মূলত কৃষিকাজ এবং বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির ৬০%-এরও বেশি মানুষ এই কৃষিকাজ ও বনজ সম্পদের ওপর জীবিকা নির্বাহ করে। দেশটিতে উচু নিচু পাহাড় সর্বত্র বিস্তৃত। এই জন্য ঘরবাড়ি, রাস্তা তৈরিতে বেশি খরচ পড়ে এবং তা ব্যয়বহুল। পাহাড়ি এলাকার জন্য ভুটানের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যেতে প্রায় চারদিন সময় লাগে। অনুমোদিত আইনের বাইরে পোশাক ও ঘরবাড়ি তৈরি করা যায় না। এই জন্যে ঘরবাড়ি, রাস্তা তৈরিতে বেশি খরচ পড়ে এবং তা ব্যয়বহুল। ভুটানে টেলিভিশন কেন্দ্র একটি এবং বিমানবন্দরও একটি।

ভারতের সাথে বাণিজ্যিক, অর্থ আদান-প্রদান এবং ভারতের প্রদানকৃত অর্থের ওপর ভুটানের অর্থনীতি অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভুটানের শিল্পগুলো তুলো বা কাপড় নির্ভর শিল্প। যেকোন উন্নয়ন পরিকল্পনা, যেমন রাস্তা তৈরি করাতেও, ভুটান ভারতীয় অস্থায়ী শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল।

ভুটানের প্রতিটি অর্থবছর এমনভাবে সাজানো হয় যেন দেশটির আবহাওয়া এবং সংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। ভুটানের সবচেয়ে বেশি আয় করে ভারতের কাছে জল শক্তি রপ্তানি করে। ভারত ভুটানের অপ্রতিদ্বন্দী রপ্তানি বাজার। তবে ভুটানের প্রতি চীনের প্রভাব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই কারণে ভারত কিছুটা চিন্তিত।

                                     

1. সামষ্টিক অর্থনৈতিক ধারা

নিম্নে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বাজার মূল্য অনুসারে এর ভুটানের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের একটি তালিকা:

ভুটানের আয়ের প্রধান উৎস হল জল শক্তি এবং পর্যটন শিল্প। এছাড়াও ভুটান সরকার সম্প্রতি উৎপাদন শিল্পকে অনেকাংশে উন্নত করেছে। এছাড়াও সমাজ কল্যাণমূলক কাজকর্মেও মনোযোগ দিয়েছে। মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে ভুটান এখন মোট জাতীয় সুখের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ১৯৭০-এর দশকে সাবেক রাজা জিগমে সিংঘে ওয়াংচুকের কর্মপ্রেরণা ছিল মোট জাতীয় সুখ। আর শিক্ষা, সামাজ এবং পরিবেশসংক্রান্ত নানা ক্ষেত্রে ভুটান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকে সাহায্য পেয়ে থাকে।

বাংলাদেশের সাথেও ভুটানের অর্থনৈতিক আদান প্রদান রয়েছে। ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সাথে ভুটান, ভারত ও নেপালের সাথে আমদানি-রপ্তানির ব্যাপারে একটি বাণিজ্য চুক্তি হয়। সেই আলোকে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারী বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়। ভুটান, ভারত এবং বাংলাদেশ মিলে ভুটানে একটি জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে। এই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এক হাজার ২২৫ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। প্রকল্পটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

২০০৪ সালে ভুটানই প্রথম দেশ হিসেবে ধূমপান এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রয়কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

                                     
  • ভ ট ন র পঞ চ - ব র ষ ক পর কল পন হল স ল থ ক চলম ন ধ র ব হ ক প রক র য য ট জ ত য অর থন ত ক উন নয ন পর কল পন র জন য ভ ট ন সরক র কর ত ক প রস ত তক ত
  • ভ ট ন র ট ল য গ য গ বলত ট ল ফ ন, র ড ও, ট ল ভ শন এব ইন ট রন টক ব ঝ ন হয প রধ ন স য গ: ট স য গ ব যবহ ত হচ ছ য ব শ ব তম ম ব ইল:
  • শ রম ক অসন ত ষ র ক রণ এল ক ট র অর থন ত ক পতন হয ছ ৷ বর তম ন এর অর থন ত ভ ট ন র সঙ গ ব ণ জ য র ওপর ন র ভরশ ল৷ যদ ও বর তম ন স থ ন য ক ট রশ ল প ও
  • খ ন স খ য ট গ স জ ল র পর এট ভ ট ন র দ ব ত য জনবহ ল জ ল জ ল র ম ন ষ র জ খ ভ ষ য কথ বল য ভ ট ন র জ ত য ভ ষ হ জ ল র বন দ য আচ ছ দ ত
  • জ ল ত অবস থ ত শহরট ভ ট ন র শ ল প ও ব ণ জ য শহর হ স ব ও পর চ ত শহরট ভ রত ও ভ ট ন স ম ন ত ভ ট ন অবস থ ত এই শহর দ ব র ই ভ ট ন র সঙ গ ভ রত র ব শ র ভ গ
  • উপ দ ন হ স ব স শ রয এব স লভ স ব স থ যস ব প রদ ন কর ভ ট ন র ক ন দ র য জনন ত ভ ট ন র স ব ধ ন র জক য সরক রক ন র পদ ও স ব স থ যকর পর ব শ ন শ চ ত
  • র ষ ট রপত আশর ফ গন ব ল দ শ ব ল দ শ র প রধ নমন ত র শ খ হ স ন ভ ট ন ভ ট ন র প রধ নমন ত র ল ট শ র ভ রত ভ রত র প রধ নমন ত র নর ন দ র ম দ ন প ল
  • ত জপ র ভরপ র পদ ম প খ র এখ নক র একট ব খ য ত জল শয শহরট অর ণ চল ও ভ ট ন র স ম ন ত ন কট অবস থ ত এট অত যন ত গ র ত বপ র ণ ক রণ এর অত ন কট চ ন র
  • অন তর ভ ক ত হয খ র ষ ট ব দ ন গ দ একট ইঙ গ - ভ ট ন কম শন ক ল ম প ও ভ ট ন র স ম ন র দ শ কর র জন য ন য ক ত হয এর পর ক ল ম প মহক ম ও দ র জ ল জ ল
  • স য ক ত অঞ চলট র আর কট প রধ নপথ হচ ছ ভ রত ও ভ ট ন স য গক র পথ পথট ভ ট ন র ফ ন টশ ল নগরক স য ক ত কর ছ রঙ গ য একট গ র ত বপ র ণ র ল জ শন এই

Users also searched:

...
...
...