Back

ⓘ বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস




                                               

রংপুর আর্মি মেডিকেল কলেজ

রংপুর আর্মি মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের রংপুর জেলার একটি মেডিকেল কলেজ। একটি বেসরকারি সামরিক মেডিকেল কলেজ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০১৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করে। এটি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত হয় ও এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কলেজ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল সৈন্যদলের মেজর জেনারেল কলেজের আদেশদানকারী। প্রতিবৎসর ৫০ জন করে ক্যাডেট ভর্তি করানো হয়।

বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস
                                     

ⓘ বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। যা পরবর্তীতে বাংলাদেশকে স্বাধীনতার দিকে ধাবিত করে। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী অনেকাংশে সংগঠিত হয়েছে ১৯৪৭ সালের ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অবকাঠামোর উপর ভিত্তি করে। যা স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর শোষণ এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুক্তি বাহিনী গেরিলা ফোর্স নামে কাজ করে।

                                     

1. ইতিহাস

সেন এবং মুঘল সাম্রাজ্য থেকেএই অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর ইতিহাস দেখতে পাওয়া যায়। বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ঢাকা সেনানিবাস, সাভার সেনানিবাস এবং বগুড়া সেনানিবাসের মত প্রধান প্রতিষ্ঠান সমূসহ তৎকালীন সামরিক বাহিনীগুলো তৈরী হয়েছিল ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক বাহিনী থেকে। ১৯৪৭ সালের ভারতীয় উপমহাদেশ ভাগ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমান বাংলাদেশ অংশ তৎকালীন বাংলা প্রদেশ থেকে আলাদা হয়ে পূর্ব বাংলা নামে নবগঠিত পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়। জাতিগত বৈষমের কারণে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালন করতে অসুবিধার সৃষ্টি হয়। বাঙ্গালীরা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অধীনস্ত ছিল। ১৯৬৫ সালে বিভিন্ন শাখার বাঙালি অফিসাররা মোট সামরিক বাহিনীর মাত্র ৫% অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হয়। পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙ্গালীদের পশতুন এবং পাঞ্জাবীদের মত সামরিক ক্ষেত্রে ততটা দক্ষ মনে করত না। হাস্যকর এবং অপমানজনক ভাবে তারা বাঙ্গালীদের বরখাস্ত করত। শুধু তাই হয়। পূর্ব পাকিস্তান সামরিক যন্ত্রপাতি কেনার ব্যাপারে কোন ধরনের সাহায্য পেত না এবং দুই অংশের খরচের অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশাল পার্থক্য ছিল। কাশ্মীর নিয়ে ১৯৬৫ সালে ইন্দো – পাকিস্তান যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাঙ্গালীদের নিরাপত্তাহীনতা আরও প্রকট আকারে দৃশ্যমান হয়। পূর্ব পাকিস্তানে শুধুমাত্র একটি স্বল্প শক্তির পদাতিক বাহিনী এবং কোন ট্যাঙ্ক ছাড়া ১৫টি যুদ্ধবিমান ভারতীয় আক্রমণ থেকে প্রতিরক্ষার জন্য নিয়োজিত ছিল।

                                     

2. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভের পরেও প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হতে দিলেন না। উল্টো পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাহায্যে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করে বাঙ্গালী ছাত্র, বুদ্ধিজীবী এবং হিন্দুদের হত্যা করে সকল রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়েছিল। সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনী ৩০০,০০০ থেকে ৩ মিলিয়নের মত মানুষকে হত্যা করেছিলো। শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলনের ডাকে সারা দিয়ে বাঙ্গালী অফিসার এবং সাধারণ মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং মুক্তি বাহিনী গঠন করে। এটি ছিল জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর নেতৃত্বে এবং ভারতের সক্রিয় সাহায্যে গঠিত একটি গেরিলা ফোর্স। যুদ্ধ যখন পুরোদমে চলছিল তখন ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী গঠিত হয়। ২টি জাহাজ এবং ৪৫ জন নাবিক নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয় যা পাকিস্তানি নৌ বহরের উপর আক্রমণ চালায়। ২৮শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এয়ার কমান্ডার এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে নাগাল্যান্ডের ডিমাপুররে যাত্রা শুরু করে। মাত্র কয়েকটি বিমান এবং একটি হেলিকপ্টার নিয়ে গঠিত এই বাহিনী পাকিস্তানিদের উপর ১২টি আক্রমণ করতে সমর্থ হয়।

                                     

3. স্বাধীনতাপর

নবগঠিত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী মুক্তিবাহিনীর কিছু সংখ্যক গেরিলাকে নিয়োগ দেয়। মুক্তি বাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জেনারেল নিযুক্ত হন। বহু বছর ধরে মুক্তিবাহিনী থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য কাজ করে যাওয়া বাঙ্গালী অফিসারদের মধ্যে বৈষম্য বিরাজ করেছিলো। কিছু বিপথগামী অফিসার ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে খুন করে রাজনীতিবিদ খন্দকার মোশতাক আহমেদকে রাষ্ট্রপতি এবং মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা প্রধান করে নতুন শাসনব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠা করে। ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ মুজিবের হত্যাকারী সামরিক বাহিনীকে উৎখাত করেন। পরবর্তীতে তিনিও ৭ নভেম্বর কর্নেল আবু তাহেরের নেত্রিত্তে অফিসারদের একটি সমাজতান্ত্রিক দল দ্বারা উৎখাতিত হন এবং জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। এই ঘটনাটি সিপাহী – জনতা বিপ্লব নামে পরিচিত। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময় সামরিক বাহিনী পুনরায় সংগঠিত হয়। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক সংঘাত এবং ক্যাডেটদের অভিযোগের অবসান ঘটান। ১৯৮১ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান উৎখাতিত হন এবং পরের বছর ল্যাফটেনেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তারের কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার আগে পর্যন্ত জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে সামরিক বাহিনী দেশের রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে ছিল।



                                     

4. আধুনিক সময়

প্রাথমিকভাবে ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের উপর নির্ভরশীল থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশ চায়না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামরিক বন্ধন জোরদার করেছিলো। বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছে। ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধ চলাকালীন সময় বাংলাদেশ সৌদি আরব এবং কুয়েতে ২,১৯৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল শান্তিরক্ষী দল প্রেরণ করেছিলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নামিবিয়া, কম্বোডিয়া, সোমালিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, সাবেক যুগোস্লাভিয়া, লিবিয়া, হাইতি, তাজিকিস্তান, পশ্চিম সাহারা, সিয়েরা লিওন, কসোভো, জর্জিয়া, পূর্ব তিমুর, কঙ্গো, কোট ডি আইভরি এবং ইথিওপিয়ার শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। ২০০৮ সালের হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশ ৯,৮০০ জন সৈন্য পাঠিয়ে জাতিসংঘের দ্বিতীয় বৃহত্তম শান্তিরক্ষি প্রেরণকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

একই ভাবে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল শান্তি বাহিনীর বিদ্রোহের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করে। ২০০১ সালে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর বিএসএফ সাথে উত্তর সীমান্তের কাছে বিরোধে জড়িয়ে পরে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসী গ্রুপ এবং ভারত বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের যোগাযোগ নিয়েও বিতর্ক ওঠে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নকল্পে বেশ কয়েকটি প্রকল্প এবং পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল।

                                     
  • ব ল দ শ র স থ পত য ব ল দ শ র ব ভ ন ন স থ পন র গঠন ব শ ষ ট য ও শ ল ক ব ঝ য ব ল দ শ র স থ পত য র স দ র ঘ ইত হ স রয ছ য র ম ল রয ছ এদ শ র স স ক ত
  • প র ব প ক স ত ন র ইত হ স ম লত: পশ চ ম প ক স ত ন শ সকদ র হ ত ন গ রহ ও শ ষণ র ইত হ স য র অন য প ঠ ছ ল থ ক স ল পর যন ত স মর ক শ সন পশ চ ম প ক স ত ন র
  • তৎক ল ন প র ব প ক স ত ন র র জধ ন ঢ ক র পল টন ময দ ন অন ষ ঠ ত ছ ত রদ র এক স মর ক ক চক ওয জ বঙ গবন ধ শ খ ম জ ব র রহম ন র অ শ গ রহণ র কথ ছ ল এই লক ষ য
  • উৎসব ইত য দ র ম থস ক র য ক ব ঝ ন হয থ ক ব ল দ শ র রয ছ শত শত বছর র ইত হ স ও ঐত হ য ব ল দ শ র স স ক ত স বক য ব শ ষ ট য র ক রণ স বমহ ম য
  • থ ন একট প ল শ প রশ সন ক ইউন ট ব ল দ শ স মর ক শ সক এরশ দ কর ত ক স ল র পর প রশ সন ক ক ন দ র হ স ব থ ন ক উপজ ল য উন ন ত কর হয তব প ল শ
  • এক ড ম র দ য ত ব আছ ন ম জর জ ন র ল ম হ ম মদ হ ম য ন কব র ব ল দ শ র ম ক ত য দ ধ র প র ব স মর ক ব হ ন র প রশ ক ষণ ক ন দ রগ ল সব পশ চ ম প ক স ত ন ই অবস থ ত
  • ঘ ষণ ট প ঠ কর ন তব ব ল দ শ র স ব ধ নত র ঘ ষক হ স ব জ য উর রহম নক দ ব কর হয য ইত হ স ব ক ত হ স ব সম ল চ ত ব ল দ শ র স ব ধ নত ব র ধ ম র ক ন
  • ব ল দ শ র ষ ট র র ইত হ স জ নত হল দ খ ন যথ ক রম প ক স ত ন র ইত হ স ও ব ল দ শ র ইত হ স দক ষ ণ ভ রত, অব ভক ত ব ল ও পশ চ মবঙ গ র ইত হ স জ নত হল দ খ ন
  • স ল প ক স ত ন থ ক স ব ধ ন হওয র পর থ ক ব ল দ শ ব শ কয কব র স মর ক অভ য ত থ ন র সম ম খ ন হয ছ ব ল দ শ স ন ব হ ন র ক ছ ন ম নপদস থ কর মকর ত
  • লঙ গ ওয ল র য দ ধ ভ রত - প ক স ত ন সম পর ক ভ রত র স মর ক ইত হ স প ক স ত ন র স মর ক ইত হ স ভ রত র ব দ শ ক সম পর ক প ক স ত ন র ব দ শ ক সম পর ক ক শ ম র
  • কল জ ড এসস এসস য স মর ক ব হ ন কম ন ড ও স ট ফ কল জ ন ম ও পর চ ত ব ল দ শ র ঢ ক র ম রপ র অবস থ ত একট সশস ত রব হ ন র প রধ ন স মর ক শ ক ষ প রত ষ ঠ ন
  • ব ল দ শ র জনস খ য ব ল দ শ পর স খ য ন ব য র র ব ব এস উপ ত ত অন য য ক ট ল খ এট ব শ ব র ম ব হত তম জনস খ য র দ শ এখ ন জনস খ য র ঘনত ব প রত
  • link প রথম আল - গ পন ম র ক ন দল ল - একজন প ক স ত ন স মর ক কর মকর ত হ স ব জ য উর রহম ন ব ল দ শ র স ব ধ নত ঘ ষণ কর ছ ল ন Prothom - alo.com

Users also searched:

প্রাচীন ভারতের মানচিত্র, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাস, ভারতের ইতিহাস,

...
...
...