Back

ⓘ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ




                                     

ⓘ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত একটি সরকারী মেডিকেল কলেজ। এটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়; যা বর্তমানে দেশের একটি অন্যতম প্রধান চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ৫ বছর মেয়াদি এমবিবিএস কোর্সে প্রতি বছর ৫২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। স্নাতক পরবর্তী এক বছরের ইন্টার্নশিপ সমস্ত স্নাতকদের জন্য বাধ্যতামূলক।

কলেজটির সাথেই ২৫০ শয্যার পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল অবস্থিত।

                                     

1. ইতিহাস

২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার রাঙ্গামাটি, জামালপুর, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল এবং সিরাজগঞ্জে নতুন মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি পটুয়াখালীতে এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিল। ২০১৫ সালে এই কলেজের নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।

২০১৫ সালে কলেজের শিক্ষার্থীরা "ক্যারি অন" পরীক্ষা ব্যবস্থা পুনর্বহালের জন্য আন্দোলন করেছিল। ব্যাচেলর অফ মেডিসিন, ব্যাচেলর অফ সার্জারি এমবিবিএস ডিগ্রি কোর্সকে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পেশাদার পরীক্ষা নামে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যদি কোন শিক্ষার্থী যদি এই পরীক্ষাগুলোর যেকোন একটিতে অকৃতকার্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পরে আবার সেই পরীক্ষা দিতে হবে। ২০০২ "ক্যারি অন" নিয়মের অধীনে শিক্ষার্থীরা পুনরায় সেই পরীক্ষার প্রস্তুতি পাশাপাশি পরের একাডেমিক সেশনের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারত। এই নিয়মটি শিক্ষার্থীরা খুব পছন্দ করেছিলেন, তবে তাদের শিক্ষকরা এর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।

২০১৩ সালে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল "ক্যারি অন" নিয়মটি বাতিল করে দিয়েছিল। এরপর পেশাদার পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা তাদের সেই পরীক্ষায় কৃতকার্য না হওয়া অবধি পরের একাডেমিক সেশনের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি। যার ফলে শিক্ষার্থীদের এই প্রক্রিয়াটিতে এক বছর পর্যন্ত হারাতে থাকে।

                                     

2. শিক্ষাঙ্গন

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজটি পাঁচ বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অব মেডিসিন, ব্যাচেলর অব সার্জারিএমবিবিএস কোর্স পরিচালনা করে। স্নাতক পরবর্তী এক বছরের ইন্টার্নশিপ সমস্ত স্নাতকদের জন্য বাধ্যতামূলক। ইন্টার্নশিপ বাংলাদেশ মেডিকেলবিএমডিসি কর্তৃক চিকিৎসা সেবা প্রদানের নিবন্ধন পাওয়ার জন্য পূর্বশর্ত।

বাংলাদেশের সকল মেডিকেল কলেজগুলোতে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয়ভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিদপ্তর ডিজিএইচএস নিয়ন্ত্রণ করে। ভর্তি প্রক্রিয়াতে সারা দেশে প্রতি বছর একসাথে লিখিত ও বহুনির্বাচনি প্রশ্নএমসিকিউ ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ডিজিএইচএস কে কে পরীক্ষা দিতে পারবে তার পূর্বশর্তগুলো নির্ধারণ করে এবং পরীক্ষার ন্যূনতম কৃতকার্য নাম্বার নির্ধারণ করে। ডিজিএইচএস বিভিন্ন বছরে ভর্তির নিয়মগুলোকে পরিবর্তন করেছে, তবে সাধারনভাবে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে এই পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতে ভর্তি হয়েছেন। সম্মিলিত স্কোরে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেটএসএসসি এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেটএইচএসসি পরিক্ষার গ্রেড গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে বা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পূর্বশর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। ডিজিএইচএস মুক্তিযোদ্ধা,উপজাতি, বিদেশী এবং অন্যরা কোটার প্রার্থীদের জন্য আলাদা শর্ত নির্ধারণ করেছে। বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়াতে তাদের এসএসসি এবং এইচএসসি গ্রেডের উপর ভিত্তি করে। ২০১৪ জুলাই অবধি এই কলেজটিতে বার্ষিক ৫২ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি রয়েছে।

                                     

3. বিভাগ সমূহ

ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যানাটমি

ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োকেমিস্ট্রি

ডিপার্টমেন্ট অফ ফিজিওলজি

ডিপার্টমেন্ট অফ কমিউনিটি মেডিসিন

ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেনসিক মেডিসিন

ডিপার্টমেন্ট অফ প্যাথলজি

ডিপার্টমেন্ট অফ ফার্মাকোলজি

ডিপার্টমেন্ট অফ মাইক্রোবায়োলজি

ডিপার্টমেন্ট অফ মেডিসিন

ডিপার্টমেন্ট অফ সার্জারি

ডিপার্টমেন্ট অফ গাইনোকলজি এন্ড অবসটেট্রিকস

                                     

4. সংগঠন

  • মেডিসিন ক্লাব
  • সন্ধানী

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে জাতীয় দিবসগুলো যেমনঃ স্বাধীনতা দিবস, বাংলাদেশের বিজয় দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং নববর্ষ, পহেলা বৈশাখ, সরস্বতী পূজার মতো উৎসবগুলো বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়।