Back

ⓘ শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ




                                     

ⓘ শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ

শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি সরকারী মেডিকেল কলেজ। এটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়; যা বর্তমানে দেশের একটি অন্যতম প্রধান চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ৫ বছর মেয়াদি এমবিবিএস কোর্সে প্রতি বছর ৫১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

                                     

1. ইতিহাস

শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজটি প্রথমে "সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ" নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বাসী মুহাম্মদ মনসুর আলীর নামে শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ নামকরণ করা হয়।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, জামালপুর, পটুয়াখালী, টাঙ্গাইল ও রাঙ্গামাটিতে ৬ টি নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিল। ২০১৪-১৫ শিক্ষা বছরে ৫০ শিক্ষার্থী দ্বারা কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

                                     

2. অন্তর্ভুক্তি

সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ। শিক্ষার্থীরা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ৫ বছর মেয়াদী এমবিবিএস কোর্স শেষ করে এবং চূড়ান্ত পেশাদার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে।

এই কলেজটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল বিএমডিসি দ্বারা পরিচালিত।

পেশাদার পরীক্ষা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ফলাফল ঘোষণা করে। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাগুলো যেমনঃ আইটেম, কার্ড পরিক্ষা, টার্ম পরিক্ষা এবং নিয়মিত মূল্যায়নগুলো নিয়মিত বিরতিতে নেওয়া হয়।

                                     

3. ভর্তি পরীক্ষা

বাংলাদেশের সকল মেডিকেল কলেজগুলোর সাথে শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয়ভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিদপ্তর ডিজিএইচএস নিয়ন্ত্রণ করে। ভর্তি প্রক্রিয়াতে সারা দেশে প্রতি বছর একসাথে লিখিত ও বহুনির্বাচনি প্রশ্নএমসিকিউ ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ডিজিএইচএস কে কে পরীক্ষা দিতে পারবে তার পূর্বশর্তগুলো নির্ধারণ করে এবং পরীক্ষার ন্যূনতম কৃতকার্য নাম্বার নির্ধারণ করে। ডিজিএইচএস বিভিন্ন বছরে ভর্তির নিয়মগুলোকে পরিবর্তন করেছে, তবে সাধারনভাবে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে এই পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতে ভর্তি হয়েছেন। সম্মিলিত স্কোরে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেটএসএসসি এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেটএইচএসসি পরিক্ষার গ্রেড গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে বা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পূর্বশর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। ডিজিএইচএস মুক্তিযোদ্ধা,উপজাতি, বিদেশী এবং অন্যরা কোটার প্রার্থীদের জন্য আলাদা শর্ত নির্ধারণ করেছে। বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়াতে তাদের এসএসসি এবং এইচএসসি গ্রেডের উপর ভিত্তি করে।