Back

ⓘ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়




কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
                                     

ⓘ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কলকাতা শহরে অবস্থিত একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৫৭ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের প্রথম আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটিই ভারতের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যার সাথে জড়িত চার জন ভারতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে "পাঁচ তারা বিশ্ববিদ্যালয়" ও "উৎকর্ষ সম্ভাবনার কেন্দ্র" মর্যাদা দিয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত একটি নগরাঞ্চলীয় অনুমোদনদাতা ও গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। আশুতোষ শিক্ষাপ্রাঙ্গন নামে পরিচিত এর কেন্দ্রীয় ক্যাম্পাসটি মধ্য কলকাতার কলেজ স্ট্রিট অঞ্চলে অবস্থিত; বিশ্ববিদ্যালয়ের অপর ক্যাম্পাসগুলি রাজাবাজার, বালিগঞ্জ, আলিপুর, বিধাননগর, হাজরা ও দক্ষিণ সিঁথিতে অবস্থিত।

                                     

1. ইতিহাস

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের প্রাচীনতম আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৫৪ সালে ইংল্যান্ডে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বোর্ড-অফ-কন্ট্রোলের সভাপতি চার্লস উড ভারতের প্রেসিডেন্সি শহরগুলিতে কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করেন। এই সুপারিশ অনুসারে ১৮৫৭ সালে কলকাতা ও বোম্বাই অধুনা মুম্বই শহরে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৮৫৭ সালের ২৪ জানুয়ারি ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং "কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আইন"-এ সই করেন। এই কারণে এই দিনটিকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাদিবস গণ্য করা হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মসূচি সম্পর্কে লেখা ছিল:

"…it has been determined to establish a University of Calcutta for the purpose of ascertaining by examination for the persons who have acquired proficiency in different branches of Literature, Science and Art and the rewarding them by academical degrees as evidence of their respective attainment."

বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণের জন্য ৪১ সদস্যবিশিষ্ট একটি সেনেট গঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চাদভূমি লাহোর থেকে রেঙ্গুন পর্যন্ত প্রসারিত ছিল - যা যেকোনো ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ পশ্চাদভূমি।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আচার্য ও উপাচার্য হলেন যথাক্রমে গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার জেমস উইলিয়াম কোলভিল। ১৮৫৮ সালে যদুনাথ বসু ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্নাতক হন। ১৮৫৮ সালের ৩০ জানুয়ারি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কার্যকর হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সেনেটের প্রথম সভাটি বসেছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের কাউন্সিল রুমে। ক্যামাক স্ট্রিটের অধুনা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর সরণি একটি ভাড়া করা ঘরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম চলত। বহু বছর সেনেট ও সিন্ডিকেটের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে রাইটার্স বিল্ডিংসে। ১৮৫৭ সালের মার্চ মাসে কলকাতার টাউন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রবেশিকা পরীক্ষা আয়োজিত হয়। এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ২৪৪ জন ছাত্র। ১৮৬২ সালে সেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরই ২,৫২,২২১ টাকা ব্যয়ে ঐতিহাসিক সেনেট হলটি নির্মিত হয়। ১৮৭৩ সালের ১২ মার্চ সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেনেট হলের উদ্বোধন করা হয়।

১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাপুরথালার নবাব জাসা সিংহ আলুওয়ালিয়া গভর্নমেন্ট কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন লাভ করে। এটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত প্রথম কলেজগুলির মধ্যে একটি। পরে আরও অনেক কলেজই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার অন্তর্গত হয়। ১৮৮২ সালে কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় ও চন্দ্রমুখী বসু বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশের প্রথম মহিলা স্নাতক হন। ১৮৯০ সালে বিচারপতি গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য হন। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় পরপর চারবার দ্বিবার্ষিক মেয়াদে ১৯০৬-১৪ এবং পঞ্চমবার ১৯২১-২৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছিলেন।বেনিমাধব বড়ুয়া যিনি এশিয়ার প্রথম ডি.লিট, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

                                     

1.1. ইতিহাস স্বাধীনতা-উত্তর

ভারত বিভাগের আগে পূর্ববঙ্গ বর্তমানে বাংলাদেশ সাতাশটি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়টির সাথে অনুমোদিত ছিল। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৫১’ পাস করে, যা ১৯০৪ সালের পূর্ববর্তী আইনকে প্রতিস্থাপন করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গণতান্ত্রিক কাঠামো নিশ্চিত করে। বিদ্যালয় ছাড়ার পরীক্ষার সাথে বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত করে একই বছর পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সিনেট হাউসসমূহ তাদের পরিচালনা করতে অক্ষম হয়ে পরে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার শতবর্ষের পরে আরও উপযোগী ভবনের জন্য স্থান তৈরি করার জন্য ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের পূর্বে ১৯৫৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় অনুদান কমিশনের কাছ থেকে এক কোটি টাকা ২০১৯ সালে ৮১ কোটি টাকা বা ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য অনুদান পাওয়া যায়, যা কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে শতবর্ষ ভবন এবং হাজরা রোড ক্যাম্পাসে আইন কলেজ ভবন নির্মাণে সহায়তা করে। অর্থনীতি বিভাগ ব্যারাকপুর ট্রাঙ্ক রোডের কাছে ১৯৫৮ সালে নিজস্ব ভবন অর্জন করে। ইউনিভার্সিটি কলেজ অব মেডিসিনের জন্য ১৯৬৫ সালে গোয়েনকা হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক গবেষণা কেন্দ্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য পরিষেবা হিসাবে চালু করা হয়। ১৯৬০ সাল অবধি সিনেট হাউস শহরের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বা ল্যান্ডমার্ক ছিল।

সিনেটারি ভবন ১৯৬৮ সালে সিনেট হাউজের পূর্ববর্তী স্থানে খোলা হয়। ভবনটিতে বর্তমানে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ভারতীয় শিল্পের আশুতোষ সংগ্রহশালা, শতবর্ষী মিলনায়তন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি কার্যালয় রয়েছে। এটি ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একটিতে পরিণত হয়। এটির প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে ১৩ টি কলেজ ও ১ ১৬ টি স্নাতকোত্তর অনুষদ সহ ১৫০ টিরও বেশি অনুমোদিত কলেজ ছিল। জাতীয় মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন পরিষদ ন্যাক কর্তৃক ২০০১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রদানের প্রথম চক্রটিতে পাঁচ-তারা মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। ন্যাক ২০০৯ সাল ও ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়র অনুমোদনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় চক্রটিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ এর সর্বোচ্চ গ্রেড প্রদান করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও ৪০ টি বিভাগীয় গ্রন্থাগারকে ২০১৯ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। গ্রন্থাগারসমূহে এক মিলিয়নেরও বেশি বই এবং ২,০০,০০০ এরও বেশি জার্নাল, কার্যক্রিয়া ও পান্ডুলিপি রয়েছে।

                                     

2. সীল

বছরেপর বছর সীলটি একাধিকবার পরিবর্তিত হয়। প্রথম সীলটি ১৮৫৭ সালে তৈরি করা হয়। যদিও এটি পরিবর্তন করা হয়, যখন ব্রিটিশ সংসদ দ্বারা ভারত সরকার আইন ১৮৫৮ পাস হয়, যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সরকার ও অঞ্চলসমূহ ব্রিটিশ ক্রাউনের আওতায় নিয়ে আসে। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম সীল ১৯৩০-এর দশকে প্রবর্তিত হয়, চতুর্থ সীলটি স্থানীয়ভাবে সমালোচনার মুখোমুখি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সীলটি ষষ্ঠ সীলের পরিবর্তিত সংস্করণ। সীলের রূপান্তরের মধ্য দিয়ে শিক্ষার মূলমন্ত্রের অগ্রযাত্রা একইরকম থেকে যায়।

                                     

3. শিক্ষাপ্রাঙ্গন

বিশ্ববিদ্যালয়টি কলকাতা় শহর ও শহরতলিতে মোট ১৪ টি শিক্ষা প্রাঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধান শিক্ষা প্রাঙ্গনসমূহের মধ্যে রয়েছে কলেজ স্ট্রিটের সেন্ট্রাল ক্যাম্পাস আশুতোষ শিক্ষা প্রাঙ্গন, রাসবিহারী শিক্ষা প্রাঙ্গন বা রাজাবাজারের বিজ্ঞান কলেজ, বালিগঞ্জের তারকনাথ পালিত শিক্ষা প্রাঙ্গন এবং আলিপুরের শহীদ ক্ষুদিরাম শিক্ষা প্রাঙ্গন। অন্যান্য ক্যাম্পাস বা শিক্ষা প্রাঙ্গনসমূহের মধ্যে রয়েছে হাজরা রোড ক্যাম্পাস, বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস অ্যান্ড বুক ডিপো, বিটি রোড ক্যাম্পাস, বিহারিলাল কলেজ অব হোম সায়েন্স ক্যাম্পাস, বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য পরিষেবা, হরিণঘাটা ক্যাম্পাস, ঢাকুরিয়া লেক বিশ্ববিদ্যালয় রোয়িং ক্লাব এবং বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাউন্ড ও ময়দান তাঁবু।

                                     

3.1. শিক্ষাপ্রাঙ্গন আশুতোষ শিক্ষাপ্রাঙ্গন

আশুতোষ শিক্ষা প্রাঙ্গন সাধারণত কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস নামে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস যেখানে প্রশাসনিক কাজ করা হয়। শিক্ষা প্রাঙ্গনটি মধ্য কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে ২.৭ একর জমিতে অবস্থিত। এখানে কলা বা চারুকলা ও ভাষা বিভাগ, প্রশাসনিক কার্যালয়, জাদুঘর, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, একটি মিলনায়তন ইত্যাদি রয়েছে। আশুতোষ যাদুঘরে ভারতীয় শিল্প বিভাগে বাংলার লোকশিল্পের মতো প্রদর্শনী উপস্থিত রয়েছে। সিনেট হাউস এই ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ভবন; এটি ১৮৭২ সালে খোলা হয়। এটি বৃহৎ আকারের শতবর্ষী ভবন নির্মাণের জন্য ১৯৬০ সালে ভেঙে ফেলা হয়, শতবর্ষী ভবনটি ১৯৬৮ সালে খোলা হয়। দ্বারভাঙা ভবন ও আশুতোষ ভবন নামের অন্য দুটি ভবন যথাক্রমে ১৯২১ এবং ১৯২৬ সালে খোলা হয়।

                                     

3.2. শিক্ষাপ্রাঙ্গন রাসবিহারী শিক্ষাপ্রাঙ্গন

রাসবিহারী শিক্ষা প্রাঙ্গন রাজাবাজারের আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রোডে অবস্থিত। ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রাঙ্গনে বিশুদ্ধ ও ফলিত রসায়ন, বিশুদ্ধ ও ফলিত পদার্থবিদ্যা, রেডিও পদার্থবিজ্ঞান, ফলিত গণিত, মনোবিজ্ঞান বা মনস্তত্ত্ব, শরীরবৃত্ত বা দেহতত্ব, জৈবপদার্থবিদ্যা ও আণবিক জীববিজ্ঞান এবং অন্যান্য বিভাগসমূহ রয়েছে।

                                     

3.3. শিক্ষাপ্রাঙ্গন তারকনাথ শিক্ষাপ্রাঙ্গন

দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে অবস্থিত তারকনাথ শিক্ষা প্রাঙ্গনে ইউনিভার্সিটি কলেজ অব সায়েন্স বা বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজ নামে পরিচিত আছে কৃষিবিজ্ঞান, নৃতত্ত্ববিজ্ঞান, জৈবরসায়ন, অণুজীববিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, পরিসংখ্যান, প্রাণিবিদ্যা, স্নায়ুবিজ্ঞান, সামুদ্রিক বিজ্ঞান, জৈব প্রযুক্তি ও অন্যদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভূতত্ত্ব বিভাগ। এখানে এস. এন. প্রধান সেন্টাফর নিউরোসায়েন্সেস এবং ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্সের বিভাগ রয়েছে।

                                     

3.4. শিক্ষাপ্রাঙ্গন শহীদ ক্ষুদিরাম শিক্ষাপ্রাঙ্গন

সাধারণত আলিপুর ক্যাম্পাস নামে পরিচিত আলিপুরের শহিদ ক্ষুদিরাম শিক্ষা প্রাঙ্গনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ক্যাম্পাস। এই ক্যাম্পাসে ইতিহাস, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইসলামী ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় গবেষণা, প্রত্নতত্ত্ব বা পুরাতত্ত্ব, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ব্যবসায় পরিচালনা বা বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও যাদুবিদ্যার বিভাগসমূহ অবস্থিত।

                                     

3.5. শিক্ষাপ্রাঙ্গন প্রযুক্তি শিক্ষাপ্রাঙ্গন

টেক ক্যাম্পস নামে পরিচিত প্রযুক্তি শিক্ষা প্রাঙ্গনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনতম শিক্ষা প্রাঙ্গন। এটি তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত বিভাগকে একত্রিত করে। বিভাগ তিনটি হল সল্টলেকের সেক্টর ৩ এর জেডি ব্লকে অবস্থিত কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ, এ.কে.সি. স্কুল অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এবং ফলিত আলোকবিদ্যা ও ফোটোনিক্স বিভাগ।

                                     

4. সংস্থা ও প্রশাসন

শাসন

বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রশাসনিক আধিকারিকদের একটি বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হয়, যার মধ্যে উপাচার্য, একাডেমিক বিষয়গুলির জন্য উপ-উপাচার্য, ব্যবসায়িক বিষয় ও অর্থের জন্য উপ-উপাচার্য, নিয়ামক বা রেজিস্ট্রার, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক, কলেজসমূহের পরিদর্শক, ব্যবস্থা ব্যবস্থাপক এবং অন্যান্য ৩৫ জন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অধিভুক্ত কলেজসমূহের কার্যক্রম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল পর্যবেক্ষণ করেন। সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ তম উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হন। বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুদান কমিশন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, বিভিন্ন গবেষণা কাজের জন্য অন্যান্য সংস্থাসমূহ এবং ফি, বিক্রয় আয়, প্রকাশনা, বৃত্তিদান তহবিল থেকে প্রাপ্ত পরিষেবামূলক অর্থ ইত্যাদির মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব উদ্যোগের দ্বারা অর্থায়ন করা হয়।

                                     

5. অধ্যয়ন বিষয়ক

র‌্যাঙ্কিং

আন্তর্জাতিকভাবে, ২০২০ সালের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ৮০০–১০০০তম স্থান অর্জন করে। একই র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ায় এটি ১৩৯তম ও ব্রিকস দেশসমূহের মধ্যে ৬৮তম স্থান অর্জন করে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক এনআইআরএফ দ্বারা ২০২০ সালে একাদশতম এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সপ্তম স্থান অর্জন করে। ২০১৯ সালের এনআইআরএফ র‌্যাঙ্কিংয়ে এটি ভারতের শীর্ষ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান লাভ করে।

                                     

6. বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত

১৯৩৭ সালে তদনীন্তন উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অনুরোধ করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি "বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত" রচনা করে দেওয়ার জন্য। রবীন্দ্রনাথ একটির বদলে দুটি গান রচনা করে দেন - "চলো যাই, চলো যাই" ও "শুভ কর্মপথে ধর নির্ভয় গান"। "চলো যাই, চলো যাই গানটি গৃহীত হয় এবং ১৯৩৭ সালের ২৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজে ছাত্রদের দ্বারা প্রথম গীত হয়। ২০০৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত হিসেবে "শুভ কর্মপথে ধর নির্ভয় গান" গানটি গৃহীত হয়।

                                     

7. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান

আরবি ও ফার্সি বিভাগ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ফার্সি বিভাগটি চালু হয় ১৯১৩ সালে। এই বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ শিক্ষাপ্রাঙ্গণের কলেজ স্ট্রিট শিক্ষাপ্রাঙ্গণ আশুতোষ ভবনে অবস্থিত।

পুরাতত্ত্ব বিভাগ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতত্ত্ব বিভাগটি চালু হয় ১৯৬০ সালে। এই বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ ক্ষুদিরাম শিক্ষাপ্রাঙ্গণে আলিপুর শিক্ষাপ্রাঙ্গণ অবস্থিত।

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ

বিভাগ সমূহ

১। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ:

২। একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ:

৩। মার্কেটিং বিভাগ:

৪। ফিন্যান্স বিভাগ:

                                     

7.1. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান অনুষদ সমূহ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আটটি অনুষদের অধীনে মোট ৬৫টি দফতর রয়েছে। অনুষদগুলি হল: কৃষি অনুষদ; কলা অনুষদ; বাণিজ্য, সমাজকল্যাণ ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদ; শিক্ষা, সাংবাদিকতা ও গ্রন্থাগারবিজ্ঞান অনুষদ; প্রযুক্তি ও কারিগরি অনুষদ; চারুকলা, সংগীত ও গৃহবিজ্ঞান অনুষদ; আইন অনুষদ ও বিজ্ঞান অনুষদ।

                                     

7.2. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান কৃষি অনুষদ

কৃষি অনুষদে কেবল একটিই বিভাগ রয়েছে। সেটি হল কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ। এই বিভাগে কৃষি-রসায়ন ও মৃত্তিকাবিজ্ঞান, কৃষিনীতি, উদ্যানপালন বিদ্যা হর্টিকালচার, প্ল্যান্ট ফিজিওলজি, জেনেটিকস ও বৃক্ষপ্রজনন এবং বীজবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর স্নাতকোত্তর পাঠক্রম চালু আছে। ১৯৫০-এর দশকে কৃষি অনুষদের খয়রা অধ্যাপক পবিত্রকুমার সেন "কৃষি কলেজ" স্থাপন করেন।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগটি ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে চালু হয়েছিল। কৃষি অনুষদের ছ-টি বিভাগ নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্স প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে।

                                     

7.3. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান কলা অনুষদ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের অধিভুক্ত বিভাগগুলি হল আরবি ও ফার্সি বিভাগ, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, পুরাতত্ত্ব বিভাগ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, অর্থনীতি বিভাগ, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ফরাসি বিভাগ, হিন্দি বিভাগ, ইতিহাস বিভাগ, ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ভাষা বিভাগ, ভাষাতত্ত্ব বিভাগ, জাদুঘর বিজ্ঞান বিভাগ, পালি বিভাগ, দর্শন বিভাগ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, সংস্কৃত বিভাগ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়া গবেষণা বিভাগ, তামিল গবেষণা বিভাগ, উর্দু বিভাগ।

                                     

7.4. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান অর্থনীতি বিভাগ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগটি চালু হয় ১৯১৪ সালে। এই বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড শিক্ষাপ্রাঙ্গণে অবস্থিত। ২০০২ সাল থেকে এই বিভাগ অর্থনীতি নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করছে।

                                     

7.5. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান আরবি ও ফার্সি বিভাগ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ফার্সি বিভাগটি চালু হয় ১৯১৩ সালে। এই বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ শিক্ষাপ্রাঙ্গণের কলেজ স্ট্রিট শিক্ষাপ্রাঙ্গণ আশুতোষ ভবনে অবস্থিত।

                                     

7.6. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান পুরাতত্ত্ব বিভাগ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতত্ত্ব বিভাগটি চালু হয় ১৯৬০ সালে। এই বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ ক্ষুদিরাম শিক্ষাপ্রাঙ্গণে আলিপুর শিক্ষাপ্রাঙ্গণ অবস্থিত।

                                     

7.7. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগটি চালু হয় ১৯১৯ সালের ১ জুন। এই বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ শিক্ষাপ্রাঙ্গণের কলেজ স্ট্রিট শিক্ষাপ্রাঙ্গণ আশুতোষ ভবনে অবস্থিত।

উপাচার্য স্যার নীলরতন সরকারের উদ্যোগে আধুনিক ভারতীয় ভাষা বিভাগ নামে এই বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা মনে করা হয়। বাংলা বিভাগের প্রথম অধ্যাপক পদটি রামতনু লাহিড়ীর নামে সৃষ্টি করা হয়। রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রামতনু লাহিড়ি অধ্যাপক। তিনি ১২ বছরেরও বেশি সময় এই পদে ছিলেন। ১৯৩২ সালের ১ আগস্ট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী অধ্যাপক পদে নিয়োগ করা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে বাংলা বিভাগে দুটি অধ্যাপক-চেয়ার পদ রয়েছে। অধ্যাপক আশুতোষ ভট্টাচার্য এই বিভাগে লোকসাহিত্য, মঙ্গলকাব্য ও বাংলা নাটক পেপার তিনটি চালু করেছিলেন। বহু প্রথম সারির বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও অভিনেতার নাম এই বিভাগটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

এই বিভাগের কয়েকজন বিশিষ্ট অধ্যাপকের নাম: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দীনেশচন্দ্র সেন, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, সুশীলকুমার দে, খগেন্দ্রনাথ মিত্র, বসন্তরঞ্জন রায়, ডি আর ভাণ্ডারকর, আই জে এস তারাপোরওয়ালা, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুধীরকুমার দাশগুপ্ত, তমোনাশচন্দ্র দাশগুপ্ত, প্রিয়রঞ্জন সেন, জনার্দন চক্রবর্তী, বিশ্বপতি চৌধুরী, মণীন্দ্রমোহন বসু, d.মহম্মদ শহিদুল্লাহ, সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত, যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য, শশিভূষণ দাশগুপ্ত, প্রমথনাথ বিশী, ক্ষুদিরাম দাস,হরপ্রসাদ মিত্র, বিজনবিহারী ভট্টাচার্য, সুকুমার সেন, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, আশুতোষ ভট্টাচার্য, ক্ষেত্র গুপ্ত, সত্যজিত চৌধুরী, দ্বিজেন্দ্রনাথ বসু, অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়,সনৎ কুমার নস্কর প্রমুখ। বর্তমানে বাংলা বিভাগের প্রধান হলেন ঊর্মি রায়চৌধুরী।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ চারটি সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করে থাকে। এগুলি হল: জগত্তারিণী পদক, সরোজিনী বসু পদক, লীলা পুরস্কার ও ভুবনমোহিনী দাসী পদক।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ দ্বারা আয়োজিত সম্মানী বক্তৃতাগুলি হল:

  • গিরিশচন্দ্র ঘোষ লেকচারশিপ দ্বিবার্ষিক – বাংলা সাহিত্য বিষয়ক বক্তৃতা।
  • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি লেকচারশিপ দ্বিবার্ষিক – বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বক্তৃতা।
  • বিদ্যাসাগর লেকচারশিপ বার্ষিক – বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন বিষয়ের উপর বক্তৃতা।
  • রামমোহন রায় লেকচারশিপ বার্ষিক – রাজা রামমোহন রায়ের উপর বক্তৃতা।
  • দীনেশচন্দ্র সেন স্মৃতি লেকচারশিপ বার্ষিক – বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বক্তৃতা।
  • দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রিডারশিপ বার্ষিক – বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত চারটি বক্তৃতা।
  • পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতি লেকচারশিপ বার্ষিক – বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা নাটক, বিষয়ক বক্তৃতা।
  • অধ্যাপক ক্ষুদিরাম দাস স্মারক বক্তৃতা- বার্ষিক- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বক্তৃতা।
  • লীলা লেকচারশিপ দ্বিবার্ষিক – বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বক্তৃতা
  • অশোকবিকাশ ভট্টাচার্য স্মৃতি বক্তৃতা বার্ষিক – বাংলা ভাষা ও কল্পবিজ্ঞান বিষয়ক বক্তৃতা।
  • অধ্যাপক সুধীরকুমার দাশগুপ্ত বক্তৃতা দ্বিবার্ষিক – নন্দনতত্ত্ব ও সাহিত্য সমালোচনা বিষয়ক বক্তৃতা।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ দশটি বৃত্তি প্রদান করে থাকে। এগুলি হল: প্রয়াত রাসবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতি অর্থ পুরস্কার, পত্রলেখা দেবী বৃত্তি, অনিলচন্দ্র গুপ্ত স্মৃতি ছাত্রবৃত্তি, জ্ঞানদাসুন্দরী সরকার স্মৃতি বৃত্তি, পারমিতা বসু স্মৃতি বৃত্তি, রূপলেখা নন্দী স্মৃতি বৃত্তি, কল্যাণী সরকার স্মৃতি বৃত্তি, কমলাবালা পাল স্মৃতি ছাত্রবৃত্তি, অমলকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতি ছাত্রবৃত্তি ও যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত স্মৃতি ছাত্রবৃত্তি।

২| ইংরেজি:

৪। দর্শন:

৫। ইতিহাস:

৭। ইসলামিক স্টাডিজ:

৮। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি:

৯। সংস্কৃত ও পালি:

১০। তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা

১১। ভাষাতত্ত্ব

১২। নাট্যকলা ও সঙ্গীত

১৩। বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব



                                     

7.8. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞান অনুষদ

বিভাগ সমূহ ১। পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ:

২। গণিত বিভাগ:

৩। রসায়ন বিভাগ:

৪। পরিসংখ্যান বিভাগ:

৫। ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ:

৬। ভূতত্ত্ব বিভাগ:

৭। ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক্স বিভাগ

৮। ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তি বিভাগ:

৯। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

১০। ফাইবার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

                                     

7.9. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

বিভাগ সমূহ

১। অর্থনীতি বিভাগ:

২। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:

৩। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ:

৪। সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ:

৫। লোক প্রশাসন বিভাগ:

৬। সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগ

৭। নৃবিজ্ঞান বিভাগ:

৮। পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ

৯। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ:

১০। উইমেন্স স্টাডিজ বিভাগ:

১১| ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ

                                     

7.10. বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ

বিভাগ সমূহ

১। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ:

২। একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ:

৩। মার্কেটিং বিভাগ:

৪। ফিন্যান্স বিভাগ: