Back

ⓘ অ্যান্টার্কটিকা




                                               

কিলিং বক্ররেখা

কিলিং বক্ররেখা হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড জমে থাকার একটি গ্রাফ। এটা পরিমাপ করা হয় ১৯৫৮ সাল থেকে আজ অবধি হাওয়াই দ্বীপে অবস্থিত মায়ানা লোয়া অবজারভেটরি দ্বীপের CO ২ এর অব্যাহত পরিমাপের ভিত্তিতে। এই বক্ররেখার নাম বিজ্ঞানী চার্লস ডেভিড কিলিং রেখেছিলেন, যিনি মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করেছিলেন এবং ২০০৫ সালে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এটি তদারকি করেছিলেন। কিলিংয়ের পরিমাপগুলি বায়ুমণ্ডলে দ্রুত কার্বন ডাই অক্সাইড এর মাত্রা বৃদ্ধির প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রমাণ দেখিয়েছিল।হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর ইতিহাস-বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডাঃ নাওমি ওরেস্কেস এর মতে, কিলিং বক্ররেখা ২০ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূ ...

                                               

অ্যান্টার্কটিক সমুদ্রের বরফ

অ্যান্টার্কটিক সমুদ্রের বরফ হল দক্ষিণ মহাসাগরের সমুদ্রের বরফ। এটি শীতে সুদূর উত্তর থেকে প্রসারিত এবং প্রতি গ্রীষ্মে প্রায় উপকূলরেখায় ফিরে আসে এবং সমুদ্রের বরফ গলে যাওয়ার কারণে প্রতি বছর উপকূলরেখার কাছাকাছি পৌঁছায়। সমুদ্রের বরফ হলো হিমায়িত সমুদ্রের জল, যা সাধারণত কয়েক মিটারের চেয়ে কম পুরু হয়। এটি বরফের স্তরের বিপরীত, যা হিমবাহ দ্বারা গঠিত হয়, যা সমুদ্রে ভেসে বেড়ায় এবং প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের হয়। সমুদ্রের বরফের দুটি উপ-বিভাগ রয়েছে: দ্রুত বরফ, যা জমির সাথে সংযুক্ত; এবং ভাসমান তুষারস্তর, যা নয়। দক্ষিণ মহাসাগর থেকে আসা সমুদ্রের বরফটি আর্টিকের বরফের মতো পৃষ্ঠের পরিবর্তে নীচ থ ...

অ্যান্টার্কটিকা
                                     

ⓘ অ্যান্টার্কটিকা

অ্যান্টার্কটিকা) হল পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে অবস্থিত মহাদেশ। ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু এই মহাদেশের অন্তর্গত। দক্ষিণ গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলে প্রায় সামগ্রিকভাবেই কুমেরু বৃত্তের দক্ষিণে অবস্থিত এই মহাদেশটি দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত। ১,৪২,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তন-বিশিষ্ট অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ এবং আয়তনে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রায় দ্বিগুণ। অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশটি এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সর্বনিম্ন জনবসতিপূর্ণ মহাদেশ। এই মহাদেশের জনঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ০.০০০০৮ জন। অ্যান্টার্কটিকার ৯৮% অঞ্চল গড়ে ১.৯ কিমি পুরু বরফে আবৃত। অ্যান্টার্কটিক উপদ্বীপের উত্তরপ্রান্তে অবস্থিত অংশগুলি বাদ দিয়ে সর্বত্রই এই বরফের আস্তরণ প্রসারিত।

সামগ্রিকভাবে অ্যান্টার্কটিকা হল পৃথিবীর শীতলতম, শুষ্কতম এবং সর্বাধিক ঝটিকাপূর্ণ মহাদেশ। বিশ্বের সকল মহাদেশের মধ্যে এই মহাদেশটির গড় উচ্চতা সর্বাধিক। অ্যান্টার্কটিকার অধিকাংশ অঞ্চলই একটি মেরু মরুভূমির । এই মহাদেশের উপকূলভাগে এবং উপকূল-সমীপস্থ অঞ্চলগুলিতে বার্ষিক পরিচলন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০ সেমি ৭.৯ ইঞ্চি। পৃথিবির ৮০% মিঠা পানি এখানে বরফ হিসেবে জমা আছে। অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা −৮৯.২° সেন্টিগ্রেড −১২৮.৬° ফারেনহাইট পর্যন্ত অথবা মহাকাশ থেকে পরিমাপকৃত হিসাব অনুযায়ী, −৯৭.৭° সেন্টিগ্রেড অর্থাৎ −১৩৫.৮° ফারেনহাইট পর্যন্ত নামতে পারে। যদিও মহাদেশের তিন-চতুর্থাংশ অঞ্চলের বছরের শীতলতম অংশ গড় তাপমাত্রা −৬৩° সেন্টিগ্রেড −৮১° ফারেনহাইট। সমগ্র মহাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গবেষণা কেন্দ্রগুলিতে সারা বছরই ১,০০০ থেকে ৫,০০০ লোক বসবাস করে। এখানকার স্থানীয় জীবজগতের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, উদ্ভিদ, প্রোটিস্ট এবং মাইট, নেমাটোডা, পেঙ্গুইন, সিল ও টারডিগ্রেড বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর নাম উল্লেখযোগ্য। অ্যান্টার্কটিকার তুন্দ্রা অঞ্চলে গাছপালা দেখা যায়।

বিশ্বের নথিবদ্ধ ইতিহাসে অ্যান্টার্কটিকাই হল সর্বশেষ আবিষ্কৃত অঞ্চল। ১৮২০ সালে ভস্তক ও মার্নি নামে দুই রাশিয়ান রণতরীর অভিযাত্রী ফেবিয়ান গোটলিয়েব ফন বেলিংশসেন ও মিখাইল লাজারেভ কর্তৃক ফিমবুল তুষার সোপান আবিষ্কারের পূর্বে এই মহাদেশটির অস্তিত্বের কথা কেউই জানত না। অবশ্য ঊনবিংশ শতাব্দীর পরবর্তী পর্যায়েও প্রতিকূল পরিবেশ, সহজলভ্য প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব ও দুর্গমতার কারণে এই মহাদেশটি মোটামুটি উপেক্ষিতই ছিল। ১৮৯৫ সালে নরওয়েজীয় অভিযাত্রীদের একটি দলই প্রথম এই মহাদেশে অবতরণ করে বলে নিশ্চিতভাবে জানা যায়।

অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি অনুযায়ী ‘কনসাল্টিং’ মর্যাদাপ্রাপ্ত পক্ষগুলির দ্বারা এই মহাদেশ শাসিত হয়। ১৯৫৯ সালে বারোটি দেশ এবং তারপর আরও আটত্রিশটি দেশ এই চুক্তিতে সাক্ষর করেছিল। এই চুক্তির দ্বারা অ্যান্টার্কটিকায় সামরিক কার্যকলাপ, খনিজ উত্তোলন, পারমাণবিক বিস্ফোরণ ও পারমাণবিক বর্জ্য নিক্ষেপ নিষিদ্ধ করা হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার পৃষ্ঠপোষকতা করা হয় এবং সমগ্র মহাদেশের জৈব-ভৌগোলিক ক্ষেত্রটি রক্ষা করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের ১০০০ - ৫০০০ বৈজ্ঞানিক এই মহাদেশে গবেষণায় রত।

                                     

1. নাম-ব্যুৎপত্তি

অ্যান্টার্কটিকা নামটি প্রকৃতপক্ষে গ্রিক যৌগিক শব্দ আন্তার্কতিকে -এর গ্রিক: ἀνταρκτική রোমান রূপ। এই শব্দটি গ্রিক আন্তার্কতিকোস গ্রিক: ἀνταρκτικός শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গবাচক প্রতিশব্দ, যার অর্থ "আর্কটিকের বিপরীত" বা "উত্তরের বিপরীত"।

আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০ অব্দ নাগাদ অ্যারিস্টটল তাঁর মেতেওরোলজিকা গ্রন্থে একটি অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল -এর কথা উল্লেখ করেন। কথিত আছে, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে তিরের মারিনোস তাঁর অসংরক্ষিত বিশ্ব মানচিত্রে এই নামটি ব্যবহার করেছিলেন। রোমান লেখক হাইজিনাস ও এপুলিয়াস খ্রিস্টীয় প্রথম-দ্বিতীয় শতাব্দী দক্ষিণ মেরু অর্থে রোমানীকৃত গ্রিক পোলাস আন্তার্কতিকাস লাতিন: polus antarcticus নামটিকে গ্রহণ করেন। এই নামটি থেকে ১২৭০ সালে প্রাচীন ফরাসি পোলে আন্তার্তিকে প্রাচীন ফরাসি: pole antartike ; আধুনিক ফরাসি ভাষায়: pôle antarctique নামটির উদ্ভব ঘটে। এই ফরাসি শব্দটি থেকে ১৩৯১ সালে জিওফ্রে চসার একটি পরিভাষাগত সনদে মধ্য ইংরেজি পোল আন্টার্কটিক মধ্য ইংরেজি বানান: pol antartik ; বর্তমান ইংরেজি বানান: Antarctic Pole নামটি গ্রহণ করেন।

বর্তমান ভৌগোলিক নামটি অর্জনের আগে এই শব্দটি "উত্তরের বিপরীত" অর্থে একাধিক স্থানের নাম হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ষোড়শ শতাব্দীতে ব্রাজিলে স্থাপিত স্বল্পকাল স্থায়ী ফরাসি উপনিবেশটিকে বলা হত "ফ্রান্স আন্তার্কতিকে"।

১৮৯০-এর দশকে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে একটি মহাদেশের নাম হিসাবে "অ্যান্টার্কটিকা শব্দটি ব্যবহৃত হয়। স্কটিশ মানচিত্রাঙ্কনবিদ জন জর্জ বার্থেলোমিউকে এই নামকরণের হোতা বলে মনে করা হয়।

                                     

2. আবিষ্কারের ইতিহাস

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের কোন স্থায়ি অধিবাসী নেই এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর পূর্ব পর্য্যন্ত কোন মানুষ এই স্থানকে দেখেছিলেন বলে কোন প্রমাণ নেই। এতৎসত্ত্বেও প্রথম শতাব্দী থেকেই একটি বিশ্বাস প্রচলিত ছিল যে, পৃথিবীর দক্ষিণে টেরা অস্ট্রালিস নামক এক বিশাল মহাদেশ উপস্থিত থাকতে পারে। টলেমি মনে করতেন যে, ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকা নিয়ে গঠিত তৎকালীন যুগে পরিচিত পৃথিবীর ভূমিসমষ্টির সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য এই মহাদেশ দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। এমনকি সপ্তদেশ শতাব্দীর শেষার্ধে অভিযাত্রীরা দক্ষিণ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারেপর যখন জানা যায়, এই দুইটি মহাদেশ প্রবাদ হিসেবে প্রচলিত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের অংশ নয়, তখনও ভৌগোলিকরা বাস্তবের থেকে দ্বিগুণ আকারের মহাদেশের অস্তিত্বের কথা বিশ্বাস করতেন।অ্যান্টার্কটিকার প্রবাদের সঙ্গে প্রচলিত হলেও অস্ট্রেলিয়াকে টেরা অস্ট্রালিস নামটি দেওয়া। কারণ, তখন ভুল ধারণা ছিল যে অস্ট্রেলিয়াপর দক্ষিণে আর কোনো মহাদেশ নেই।হ

অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারেপর অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের নামকরণ টেরা অস্ট্রালিস শব্দটি থেকে করা হয়, কারণ তখন ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স নামক অভিযাত্রী সহ বেশ কিছু মানুষ মনে করতেন অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণে উল্লেখযোগ্য মাপের কোন মহাদেশ পাওয়া সম্ভব নয়। সেরণে

                                     

3. অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি

১৯৫৯ সালে ১২টি দেশের মধ্যে অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়; যাতে বর্তমানে ৪৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকায় সামরিক কর্মকান্ড এবং খনিজ সম্পদ খনন নিষিদ্ধ, বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে সহায়তা এবং মহাদেশটির ইকোজোন সুরক্ষিত করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের ১০০০ - ৫০০০ বিজ্ঞানী অ্যান্টার্কটিকায় বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।

                                     

4. বহিঃসংযোগ

  • ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিকা সার্ভে
  • অস্ট্রেলিয়া অ্যান্টার্কটিকা সার্ভে
  • অ্যান্টার্কটিকা
  • অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চল
  • দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় অ্যান্টার্কটিকা প্রোগ্রাম
  • যুক্তরাষ্ট্র অ্যান্টার্কটিকা প্রোগ্রাম
                                     
  • ম র থ ক উত তর মহ স গর, এশ য ভ রত মহ স গর, দক ষ ণ মহ স গর এব অ য ন ট র কট ক থ ক দক ষ ণ ম র পর যন ত প রস র ত নব বই প র ব র জ এর ন মকরণ কর হয
  • ল য ন ড পর যন ত ব স ত ত পর বতম ল ট ক ম র মহ দ শক প র ব অ য ন ট র কট ক ও পশ চ ম অ য ন ট র কট ক - এই দ ই ভ গ ব ভক ত কর ছ প রক তপক ষ আন তক ম র পর বতম ল
  • স খ যক গব ষণ ক ন দ র স থ পন করল ও সবগ ল ই রয ছ অ য ন ট র কট ক উপদ ব প অঞ চল অ য ন ট র কট ক উপদ ব প অঞ চল র ব ভ ন ন দ ব প অ য ন ট র কট ক য অবস থ ত
  • শ শ ন হত হয - অ য ন ট র কট ক মহ দ শ শ ধ ব জ ঞ ন ক গব ষণ র ক জ ব যবহ ত হব এ মর ম ট দ শ র মধ য অ য ন ট র কট ক চ ক ত স ব ক ষর ত হয
  • প থ ব র দক ষ ণ ম র ব ভ গ ল ক দক ষ ণ ম র ব ক ম র দক ষ ণ ম র অ য ন ট র কট ক মহ দ শ অবস থ ত প থ ব র দক ষ ণতম ব ন দ এই স থ ন প থ ব র উত তর প র ন ত
  • পর চ ত এট প থ ব ত প র প ত ব ষধর স পসম হ র চ রট পর ব র র একট অ য ন ট র কট ক অস ট র ল য ন উ জ ল য ন ড, আয রল য ন ড, ম দ গ স ক র, হ ওয ই, এব
  • ব জ ঞ ন ও দ র শন ক প য সক ল গর ত চন দ রপ ষ ঠ র গর ত প য সক ল দ ব প অ য ন ট র কট ক প য সক ল দ ব প পশ চ ম অস ট র ল য প য সক ল একক চ প র এসআই একক
  • ইত য দ ট ইর ন দ রও ভয স বক স রয ছ ক ন ত ত গঠনগত দ ক থ ক ব শ সরল অ য ন ট র কট ক ব দ প থ ব র সর বত রই প য স র ফর ম স বর গ র অন তর ভ ক ত প রজ ত গ ল র
  • এব গ ইর ক ক ল Neomorphidae - র ডর ন র ক ক ল ফর ম স বর গ র সদস যদ র অ য ন ট র কট ক ব দ সকল মহ দ শ র উষ ণ ও ন ত শ ত ষ ণ অঞ চল দ খ য য এছ ড মহ স গর য
  • স ত পপর বত য দ র ঘ য ক ম ম প রস থ ক ম ম এব য অ য ন ট র কট ক মহ দ শ র সর ব চ চ পর বতশ ঙ গ এট ম ট র ফ উ চ পর বতট
  • মঙ গ ল য চ ন, ভ ট ন, ভ রত, ব ল দ শ ভ রত মহ স গর, দক ষ ণ মহ স গর এব অ য ন ট র কট ক থ ক দক ষ ণ ম র পর যন ত প রস র ত তম প র ব মধ যর খ তম পশ চ ম

Users also searched:

...
...
...